দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন ও বিজয়নগর উপজেলার ১টি ইউনিয়ন ভেঙ্গে আখাউড়া উপজেলার বরিশল ইউনিয়নের সাথে যুক্ত করে "বরিশল" নামে নতুন উপজেলা করার প্রস্তাবের প্রতিবাদে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা করে ৪ ইউনিয়নের বিক্ষুব্ধ জনতা।
এ সময় তারা কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কাউতলী মোড় ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনের সড়ক অবরোধ করে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। বিক্ষুব্ধ জনতার একটি অংশ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অবস্থান নিয়ে নতুন উপজেলার প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং বিষয়টি গোপন রাখায় জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে।
পরে জেলা বিএনপির সহসভাপতি এডভোকেট শফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এড. তরিকুল ইসলাম রোমা, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেনসহ ৪ ইউনিয়নের প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তিবর্গ জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদের সাথে কথা বলে প্রস্তাব বাতিলের দাবীতে স্মারকলিপি প্রদান করে।
এ সময় বক্তারা বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার, রামরাইল, সুলতানপুর, বাসুদেব ও বিজয়নগর উপজেলার সিংঙ্গারবিলকে ভেঙ্গে "বরিশল" ইউনিয়ন নামে নতুন একটি উপজেলা গঠনের পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন জেলা বিএনপি নেতা কবীর আহমেদ ভূঁইয়া। তার এই পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রের আলোকে সম্প্রতি স্থানীয় সরকার বিভাগ নতুন উপজেলা নিরীক্ষণের জন্য একটি দাপ্তরিক পত্র পাঠিয়েছে । এবং জেলা প্রশাসক বিষয়টি গোপন রেখেছে যা কখনো মেনে নেয়া হবে না।
বক্তারা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি সদর ও বিজয়নগর উপজেলাকে ভেঙ্গে নতুন উপজেলা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় তাহলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলপথ, সড়কপথ অবরোধসহ তীব্র আন্দোলনের মাধমে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হবে। তারা বর্তমানের ন্যায় সদর উপজেলার সাথে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন।
কেএম